আমিন امين শব্দটি কুরআনের অন্তর্ভুক্ত কিনা উহা কোরআন ও হাদিসের আলোকে নিম্নে পেশ করা হলো।
আল্লামা বাইজাবী (রহ:) উল্লেখ্য করেন সকল উলামাগন, মুহাদ্দিসীনে কিরাম, ও মুফাসসিরীনে ইযাম ,এ কথার উপরে সকলে একমত যে আমিন (امين) কোরআন শরীফের সূরা আল ফাতেহার অংশ নয়।
কেননা সাহাবায়ে কেরাম, ও তাবেঈ তাবেঈন ইযাম কারো থেকে এই ধরনের কোন বর্ণনা নেই। এমনকি (مصحف عثمانى)মাছহাফে উসমানীতে ও তা উল্লেখ্য নেই ।
এই সংক্রান্ত অভিমত গুলো নিম্নেও প্রদান করা হলো।
১। আল্লামা যামাশারী উল্লেখ্য করেন।
انه كالختم على الكتاب وليس من القران
২। আল্লামা বদরূউদ্দিন আইনী (রহ:) বলেন-
لا خلافه ان امين ليس من القران حتى قالوا بارتداد من قال انه منه
অর্থাৎ امين আমিন কোরআন শরীফের অংশ নয়। বরং যারা কুরআন শরীফের অংশ মনে করে , ওলামায়ে কেরাম তাদেরকে মুরতাদ বলে আখ্যায়িত করেন।
তবে এতটুকু অবশ্যই বর্ণিত আছে যে, সূরা ফাতিহাকে امين আমিন দ্বারা শেষ করা সুন্নত। কারণ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন,
علمني جبرائيل امين عند الفراغ من قراءة الفاتحة
৩। হযরত আলী (রা:) বলেন ,
امين خاتم رب العالمين ختم به دعاء عبده
অর্থাৎ আমিন হলো রব্বুল আলামীনের মোহর যার দ্বারা বান্দার প্রার্থনা কে মোহরযুক্ত করে দেয়া হয়েছে । সুতরাং প্রতিমান হলো যে আমীন (امين) সুরা ফাতেহা বা কুরআনের অংশ নয়। বরং ইহা কেবল বরকতের জন্য সুন্নত হিসেবে পাঠ করা হয়।

0 Comments