ফিদিয়া কাকে বলে এবং কে কে ফিরিয়ে দিতে পারবে উহা আলোচনা করা হল।
কুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন।
قال الله تعالى وعلى الذين يطيقونه فديه طعام مسكين.
উক্ত আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন যারা রোজা রাখতে সামর্থবান নয়। তারা মিসকিনদের কে ফিরিয়ে দিলেই চলবে। তাদের রোজা রাখতে হবে না।
কারা কারা ফিরিয়ে দিতে পারবে তা নিম্নরূপ।
উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি বুখারী শরীফ কিতাব তাফসীরে। হাদিস দ্বারা ব্যাখ্যা করেছেন। যারা রোজা রাখতে সামর্থবান। নয় তারা ফিদিয়ে দিলে চলব তাদের কাজ আদায় করতে হবে না। রোজাও রাখতে হবে না।
তাদের মধ্য থেকে প্রথমে হলো একেবারে বয়স্ক লোক যার রোজা রাখার একেবারেই শক্তি হারিয়ে ফেলেছে যদি রোজা রাখে তার প্রাণ নাশের আশঙ্কা আছে।
দ্বিতীয় নাম্বার গর্ভধারিনী মহিলা যে অসুস্থ যদি সে রোজা রাখে তাহলে তার বাচ্চার এবং নিজের প্রাণ নাশের আশঙ্কা আছে।
তৃতীয় নাম্বার এমন মহিলা যিনি দুধপন করান যদি সে রোজা রাখে তাহলে ছোট বাচ্চা দুধ পাবে না। ছোট বাচ্চার প্রাণ নাশের আশঙ্কা যদি থাকে তাহলে এই সমস্ত এসমস্ত ব্যক্তিবর্গ তারা ফিরিয়ে দিতে পারবে।
ফিদিয়ার সংজ্ঞা।
ফিদিয়া বলা হয় যারা রোজা রাখতে সামর্থ বার নয়। তারা একটি রোজার বিনিময় একজন মিসকিনকে পেট ভরে দুবেলা খানা খাওয়াবেন। আর এই খানার মান হবে। স্বাভাবিক অর্থাৎ তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী। সে স্বাভাবিক পর্যায়ে সে অন্য অন্য দিনে যেমন খাবার খায় ওই মানের খাবার খাওয়াবে।
আর খাবারটা এভাবেও খাওয়াতে পারে যেহেতু ৩০ জন মিসকিনদের কে দুবেলা করে খাওয়ানোর কথা হাদীসে এসেছে। তাই ৩০ জন মিসকিনদের কে একদিন দুবেলা খাওয়াতে পারে। অথবা ১৫ দিন পর ১৫ জনকে দুবেলা খাওয়াতে পারে। আবার দ্বিতীয় ১৫ দিনের জন্য ১৫জনকে দুবেলা করে খাওয়াতে পারে। তার ইচ্ছা। অথবা ৬০জন মিসকিনকে একবেলা খাওয়াতে পারে।

0 Comments