ইচ্ছাকৃত অনিচ্ছাকৃত ভাবে এবং ভুলক্রমে যদি রোজা ভঙ্গের কারণ সংগঠিত হয় তাহলে তার হুকুম কি নিম্নে আলোচনা করা হল।




ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভঙ্গের কারণ সংঘটিত হলে তাহার হুকুম নিম্নরূপ। 

যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে। রোজার মাসে দিনের বেলায় পানাহার করে অথবা স্ত্রী সহবাস করে। এবং যে সমস্ত কাজের কারণে। রোজা ভঙ্গ হয়ে যায় উহার কোন একটি যদি করে তাহলে তার রোযা ভেঙ্গে যাবে। তারপর তার উক্ত রোযা কাযা আদায় করতে হবে। এবং ইচ্ছাকৃত ভাবে আল্লাহর ফরজ বিধান লংঘন করার কারণে। তার উপর কাফফারা ওয়াজিব হবে। 




যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে রো
জা ভঙ্গের কারণ সংগঠিত হয় তার হুকুম নিম্নরূপ।

যদি কারো মধ্যে। অনিচ্ছাকৃতভাবে রোজা
ভঙ্গের কারণ সংগঠিত হয়। যেমন গোসল করতে গিয়ে তার নাকের ভেতর দিয়ে পেটে পানি চলে গেল। অথবা ওযু করতে গিয়ে গলার ভিতর দিয়ে পেটের ভিতরে পানি চলে গেল। অথবা কোন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক খাবারের কোন জিনিস মুখের ভিতর ঢুকিয়ে দিল। অথবা কোন স্বামী তার স্ত্রীকে জোরপূর্বক সহবাস করলে। অথবা কোন মহিলা ধর্ষিত হল। তাহলে তার রোযা ভেঙ্গে যাবে। কিন্তু তাহার উপরে কাজা ওয়াজিব হবে কাফফারা ওয়াজিব হবে না।

 


আর স্বামীর ক্ষেত্রে।

স্বামী যে তার স্ত্রীর সাথে জোরপূর্বক সহবাস করেছে এই সহবাসের কারণে। দুজনেরই রোজা ভেঙ্গে যাবে। স্বামীর উপরে কাজা কাফফারা দুটাই ওয়াজিব হবে। তার স্ত্রীর উপরে শুধু কাজা ওয়াজিব হবে।



যদি ভুলক্রমে রোজা ভঙ্গের কারণ সংগঠিত হয় তার হুকুম নিম্নরূপ।


যদি ভুলক্রমে কোন ব্যক্তি রোজার মাসে দিনের বেলায়। পানাহার, করে অথবা স্ত্রী সহবাস করে, যদি তার স্বরণ না থাকে আমি রোজাদার তাহলে তার রোযা ভাঙ্গবে না। কিন্তু যখনই স্মরণ হবে যে আমি রোজাদার। তখনই সাথে সাথে ঐ সমস্ত কাজকে পরিহার করতে হবে। তাহলে তার রোযা ভাঙ্গবে না।

কিন্তু যদি তার স্মরণ হওয়ার পরেও সে এই সমস্ত কাজ কে পরিহার না করে। তাহলে তার রোযা ভেঙ্গে যাবে। তারপর তার উপরে কাজা-কাফফারা উভয়টাই ওয়াজিব হবে।