গায়েবানা জানাজার নামাজ জায়েজ আছে কিনা তা নিম্নে আলোচনা করা হল।
বুখারী শরীফ প্রথম খন্ড মূল কিতাবের ১৬৬ নাম্বার পৃষ্ঠায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে গায়েবানা জানাজার নামাজ জায়েজ আছে কিনা এই নিয়ে ইমামদের মাঝে মতামত রয়েছে।
ইমাম আবু হানিফা ও মালেক (রহ:) অভিমত।
ইমাম আবু হানিফা ও মালেক (রহ:)এর মতে গায়েবানা জানাজার নামাজ আদায় করা জায়েজ নেই।
তাদের দলিল।
(ক) জানাজার নামাজের জন্য শর্ত হলো মৃত্যু ব্যক্তির লাশ সামনে উপস্থিত থাকা।
(খ) রাসূল (সা:) ও খোলাফায়ে রাশেদীনের আমলে অনেক সাহাবী দুর দুরান্তে ইন্তেকাল করেছেন। তাদের দু-একজন ব্যতীত আর কারো জন্য গায়েবানা জানাজার নামাজ আদায় করতে দেখা যায়নি। উহা তাদের জন্য ছিল খাস।
ইমাম শাফেয়ী ও আহমদ (রহ:) এর অভিমত।
ইমাম শাফেয়ী আহমদ (রহ:) এর মতে গায়েবানা জানাজার নামাজ পড়া জায়েজ আছে।
তাদের দলিল।
কেননা রসূল (সা:) হাবশার বাদশা নাজ্জাশী উপরে তিনি গায়েবানা জানাজার নামাজ আদায় করেছেন। তাই গায়েবানা জানাজার নামাজ আদায় করা জায়েজ আছে।
ইমাম শাফেয়ী ও আহমাদ এর দলিল এর উত্তর।
ইমাম আবু হানিফা ও মালেক (রহ:) এরপক্ষ থেকে ইমাম শাফেয়ী ও আহমাদ (রহ:)এর দলিলের উত্তর।
(ক) গায়েবানা জানাজার নামাজ টি শুধু নাজ্জাশী বাদশার জন্যই খাস ছিল যা অন্য কারো জন্য নয়।
(খ) নাজ্জাশী বাদশার মৃত্যু এমন জায়গায় হয়েছিল যে জায়গা জানাজার নামাজ পড়ার মত কোন লোক ছিল না। যার ফলে রসূল (সা:) গায়েবানা জানাজার নামাজ পড়েছিলেন।
(গ) নাজ্জাশী বাদশার লাশ কে আল্লাহ তাআলার হুকুমে ফেরেশতাগণ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে এনে হাজির করেছিলেন। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গায়েবানা জানাযার নামায আদায় করেছিলেন। সেটা অদৃশ্যভাবে হাজির করেছিলেন।
.jpg)
0 Comments