যাদের উপরে রোজার শুধু কাযা আদায় করতে হয় কাফফারা দিতে হয় না তাহার নিম্নরূপ।


কুরআনে কারীমে আল্লাহ তা'য়ালা বলেছেনঃ 

يا ايها الذين امنوا كتب عليكم الصيام كما كتب على الذين من قبلكم لعلكم تتقون



হে ঈমানদারগণ। তোমাদের উপরে রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। যেমনিভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপরে রোজা ফরজ ছিল। যাতে করে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো।



উপরোক্ত আয়াত দ্বারা আল্লাহ তাআলা। এ কথা বোঝাতে চেয়েছেন। যে সকল এর উপরে রমজানের রোজা ফরজ। তাই সকলকে অবশ্যই রোজা আদায় করতে হবে।

তারপরেও আল্লাহ তাআলা। কিছু ব্যক্তিবর্গের উপরে। রোজার বিধান কে কিছু শিথিল করেছেন। যেহেতু আল্লাহ তাআলা। দয়ালু মেহেরবান এবং আহকামুল হাকিমিন।




যাদের জন্য রোজার বিধান কে শিথিল করেছেন উহা নিম্নরূপ।


আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে কারীমে এরশাদ করেছেন।

فمن كان منكم مريض او على سفر فعده من ايام اخر.

১। তোমাদের মধ্য থেকে যদি কোন ব্যক্তি অসুস্থ থাকে।


২।অথবা তোমাদের মধ্য থেকে যদি কেউ সফরে থাকে।

তাদের জন্য অসুস্থ অবস্থায়। এবং সফরে থাকা অবস্থায়। রোজা রাখতে হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে উহার কাযা আদায় করে দিতে হবে। এবং ইহার জন্য কোন কাফফারা দিতে হবে না।






৩। আর ঋতুবর্তী। যে সমস্ত মহিলা রয়েছে। তাদের এই ঋতুস্রাব চলাকালীন অবস্থায়। রোজা রাখতে হবে না। পরবর্তীতে উহা কাজা আদায় করে দিতে হবে। ইহার জন্য কোন কাফফারা দিতে হবে না।